কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬ এ ০৪:৪৫ PM

পর্যটন

কন্টেন্ট: পাতা

ক্রমিক

নাম ও সংক্ষিপ্ত বর্ননা

যাতায়াত

উক্ত স্থানে সহায়তার জন্য যোগাযোগ

অবস্থান

ছবি

নীলসাগর

নীলফামারী জেলা শহর থেকে উত্তর-পশ্চিমে ১৪.৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা মৌজায় নীলসাগর দীঘি অবস্থিত। মোট আয়তন ৫৩.৯০ একর, মূল দীঘি ৩২.৭০ একর।

গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গায় অবস্থিত । নীলসাগরে নীলফামারী থেকে সড়কপথে বাস, ইজিবাইকযোগে যাওয়া যায়।০১৭৩৩৩৯০৬৬১নীলফামারী সদর উপজেলাধীন গোড়গ্রাম ইউনিয়ন

হরিশ্চন্দ্রের পাঠ

জলঢাকা থানার খুটামারা ইউনিয়নের অন্তর্গত পাথর খন্ডে পরিপূর্ণ সুপ্রাচীন ধ্বংসাবশেষ টিলা হরিশচন্দ্রের পাঠ বা রাজবাড়ী। এটি চাড়াল কাটা নদীর দক্ষিণ তীরে প্রায় এক বিঘা জমির উপর উঁচু ঢিবি। ঢিবির উপর পাঁচ খন্ড বড় কাল পাথর জড়ে আছে। পাথরগুলো ঢিবির মাটিতে ডুবে যায় আবার ভেসে উঠে বলে পার্শ্ববর্তী স্থানের অধিবাসীদের বিশ্বাস।

নীলফামারী শহর থেকে সড়কপথে জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের হরিশ্চন্দ্র পাঠে যাওয়া যায়।০১৭৩৩৩৯০৬৬৪খুটামারা ইউনিয়ন, জলঢাকা

ধর্মপালের রাজবাড়ী

গড় ধর্মপালের র্পর্বদিকে একটি ছোট নদীর তীরে ধর্মপালের রাজ প্রাসাদ ছিল। ধর্মপালের গড় থেকে ১ মাইল উত্তর-পশ্চিমে একটি মজে যাওয়া জলাশয় রয়েছে। যার পূর্ব পাড়ে বাঁধানো ঘাট ও একটি ৬ ফুট উঁচু ঢিবি এবং ঢিবির ভিতরের প্রাচীরের ইট দেখে অনেকে এটাকে ধর্মপালের রাজবাড়ি বলে মনে করেন।

জলঢাকা উপজেলার গড় ধর্মপালের র্পর্বদিকে একটি ছোট নদীর তীরে ধর্মপালের রাজ বাড়ী অবস্থিত। নীলফামারী শহর থেকে সড়কপথে ধর্মপালের রাজ বাড়ী যাওয়া যায়।০১৭৩৩৩৯০৬৬৪জলঢাকা উপজেলার গড় ধর্মপালের র্পর্বদিকে একটি ছোট নদীর তীরে ধর্মপালের রাজ বাড়ী অবস্থিত

ভিমের মায়ের চুলা

কিশোরগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্স এর উত্তর-পশ্চিম দিকে ২০০ মিটার দূরে ‘ভীমের আখা’ বা ’ভীমের মায়ের চুলা’ অবস্থিত। এটি তিন দিকে উঁচু মাটির প্রাচীর বেষ্টিত একটি স্থাপনা যার প্রাচীরের উপরের তিনটি স্থান অপেক্ষাকৃত উঁচু। এর ভিতরের অংশ গভীর ও বাইরের তিন দিক পরিখা বেষ্টিত।

নীলফামারী শহর থেকে সড়কপথে ভীমের মায়ের চুলা যাওয়া যায়।০১৭৩৩৩৯০৬৬৫কিশোরগঞ্জ উপজেলা কমপেস্নক্স এর উত্তর-পশ্চিম দিকে ২০০ মিটার দূরে ‘ভীমের আখা’ বা ’ভীমের মায়ের চুলা’ অবস্থিত

চিনি মসজিদ

চিনি মসজিদ (‘চীনা মসজিদ’ নামেও পরিচিত) রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে অবস্থিত। মসজিদটি নীলফামারী সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে সৈয়দপুরে অবস্থিত। মসজিদে একসঙ্গে প্রায় পাঁচ শতাধিক লোক নামাজ আদায় করতে পারে।

ঐতিহাসিক চিনি মসজিদ নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে অবস্থিত। ঢাকা থেকে সড়ক, রেল বা আকাশপথে সৈয়দপুর পৌঁছানো যায়। সৈয়দপুর পৌঁছে রেলওয়ে স্টেশন বা ওয়াপদা মোড় থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় সরাসরি চিনি মসজিদ যাওয়া যায়।০১৭৩৩৩৯০৬৬৬ঐতিহাসিক চিনি মসজিদ নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে অবস্থিত।

ডিমলা ফরেস্ট

ডিমলা ফরেস্ট বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় অবস্থিত একটি চমৎকার প্রাকৃতিক স্থান। নীলফামারী জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই বনটি তার সবুজ প্রকৃতি এবং শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত। এটি স্থানীয় দর্শনার্থীদের জন্য একটি জনপ্রিয় এবং মনোরম গন্তব্য।

ডিমলা ফরেস্ট মূলত ডোমার-ডিমলা রোডে অবস্থিত । নীলফামারী থেকে বাইক যোগে বা জীপ গাড়িতে যাওয়া যায় । ডোমার থেকে সিএনজি তে যাওয়া যায়। আর ডিমলা থেকে সিএনজি, বাইক কিংবা অটো রিক্সা তে করে আসতে পারবেন। ০১৭৩৩৩৯০৬৬৩ ডিমলা ফরেস্ট মূলত ডোমার-ডিমলা রোডে অবস্থিত। নীলফামারী জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।

গোমনাতি ফরেস্ট

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলায় অবস্থিত গোমনাতি ফরেস্ট একটি দারুণ ও শান্ত প্রাকৃতিক পর্যটন স্পট। সবুজ বনায়ন, নদী আর এখানকার কাঠের সেতুটি দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ। যারা কোলাহল থেকে দূরে সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য এটি উত্তরবঙ্গের একটি চমৎকার ও মনোরম স্থান।

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অবস্থিত গোমনাতি ফরেস্টে (বন বিভাগ) যাওয়ার জন্য প্রথমে নীলফামারী জেলা শহর বা ডোমার উপজেলা সদরে পৌঁছাতে হবে। সেখান থেকে সড়কপথে রিকশা, অটোরিকশা, সিএনজি বা ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে খুব সহজেই গোমনাতি ইউনিয়নে অবস্থিত এই ফরেস্টে যাওয়া যায়। ০১৭৩৩৩৯০৬৬২গোমনাতি ফরেস্ট বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার ডুমার উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নে অবস্থিত।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন